বিশুদ্ধ খাবার ,সুস্থ জিবন ১০০% প্রিমিয়াম কোয়ালিটি হালাল ও সাস্থকর বিশ্বাস আমাদের, সাস্থ আপনার Faris Food Corner
275৳ – 1,100৳ Price range: 275৳ through 1,100৳
গোল্ডেন কিসমিস (Golden Raisins) আঙুর শুকিয়ে তৈরি করা এক ধরনের আকর্ষণীয় সোনালী রঙের ড্রাই ফ্রুটস। সাধারণ কালচে কিসমিসের তুলনায় এগুলো একটু ভিন্ন প্রক্রিয়ায় (সাধারণত সালফার ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে বা বিশেষ উপায়ে) শুকানো হয়, যার ফলে এর রঙ সোনালী থাকে এবং পুষ্টিগুণও অক্ষুণ্ণ থাকে। এটি প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।
Faris Food Corner-এর প্রিমিয়াম মানের গোল্ডেন কিসমিস।
গোল্ডেন কিসমিস (Golden Raisins) আঙুর শুকিয়ে তৈরি করা এক ধরনের আকর্ষণীয় সোনালী রঙের ড্রাই ফ্রুটস। সাধারণ কালচে কিসমিসের তুলনায় এগুলো একটু ভিন্ন প্রক্রিয়ায় (সাধারণত সালফার ডাই অক্সাইড ব্যবহার করে বা বিশেষ উপায়ে) শুকানো হয়, যার ফলে এর রঙ সোনালী থাকে এবং পুষ্টিগুণও অক্ষুণ্ণ থাকে। এটি প্রাকৃতিক শর্করা, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।
নিচে গোল্ডেন কিসমিসের বিস্তারিত উপকারিতাগুলো আলোচনা করা হলো:
গোল্ডেন কিসমিসে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রাকৃতিক শর্করা যেমন গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ। এটি খাওয়ার সাথে সাথে শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে। ক্লান্তি দূর করতে বা কাজের মাঝে ঝিমুনি কাটাতে কয়েকটি গোল্ডেন কিসমিস দারুণ কার্যকর।
এতে রয়েছে প্রচুর ডায়েটারি ফাইবার বা আঁশ। গোল্ডেন কিসমিস পানিতে ভিজিয়ে খেলে তা পরিপাকতন্ত্রকে সক্রিয় রাখে, খাবার সহজে হজম করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে অত্যন্ত উপকারী।
গোল্ডেন কিসমিসে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স রয়েছে, যা মানবদেহে নতুন লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। যাঁদের শরীরে রক্তের ঘাটতি বা দুর্বলতা রয়েছে, তাঁদের জন্য এটি চমৎকার একটি খাবার।
এতে ক্যালসিয়াম এবং বোরন নামক খনিজ রয়েছে। বোরন হাড়ের ক্যালসিয়াম শোষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হাড়ের ঘনত্ব ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এটি বয়সজনিত হাড়ের ক্ষয় রোধ করতেও দারুণ ভূমিকা রাখে।
গোল্ডেন কিসমিসে বিভিন্ন ধরনের পলিফেনল অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা কোষের ক্ষয় রোধ করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) শক্তিশালী করে। এটি বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে শরীরকে সাহায্য করে।
এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, যা শরীরের অতিরিক্ত সোডিয়ামের প্রভাব কমাতে এবং রক্তনালীগুলোকে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। নিয়মিত এটি খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হয়।
গোল্ডেন কিসমিসে থাকা ভিটামিন এ, ক্যারোটিনয়েড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চোখের কোষ সুরক্ষায় কাজ করে। এটি চোখের পেশি দুর্বল হওয়া এবং বয়সজনিত দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের তারুণ্য বজায় রাখতে এবং ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি, এর মধ্যে থাকা ফাইটোকেমিক্যাল দাঁতের ক্ষয় ও মাড়ির ব্যাকটেরিয়া দূর করতেও কিছুটা সাহায্য করে।
পরিমাণ: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে বা বিকেলে নাস্তায় ১০ থেকে ১৫টি গোল্ডেন কিসমিস খাওয়া আদর্শ।
টিপস: সবচেয়ে ভালো ফলাফল পেতে কিসমিসগুলো সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি সহ কিসমিস খেতে পারেন।
সতর্কতা: এতে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে, তাই ডায়াবেটিস রোগীদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমিত পরিমাণে এটি খাওয়া উচিত।